
নিজস্ব প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক, পোল্ট্রি খামারি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি সেচ, উৎপাদনে ক্ষতির মুখে পড়ছে পোল্ট্রি খামার, আর ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও মাস শেষে আসছে অস্বাভাবিক উচ্চ অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল। একদিকে লোডশেডিং, অন্যদিকে অতিরিক্ত বিলের চাপ—দুই দিক থেকেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।
পোল্ট্রি খামারিরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় বাধ্য হয়ে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। এতে জ্বালানি খরচ বেড়ে উৎপাদন ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরাও বলছেন, সময়মতো সেচ দিতে না পারায় ফসল ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে। অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দোকান ও ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ তদন্ত করা এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বিদ্যুৎ সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে কৃষি, পোল্ট্রি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠবে। তাই জনস্বার্থে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন
Leave a Reply