রাতের আঁধারে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের ব্যানার কেটে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে টানানো একটি ব্যানার রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার গভীর রাত অথবা সোমবার ভোরের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে টানানো ব্যানারটি কেটে নিয়ে যায়। সকালে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে এসে ব্যানারটি না দেখে বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদ বলেন, “ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের ব্যানার রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। আমরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য সহায়ক নয়।”
ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আশক মেম্বার বলেন, “ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের ব্যানার রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। যারা এ ধরনের কাজ করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
ঘটনাটি এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।